
✔️ ব্র্যান্ড ডিজাইন, লোগো ডিজাইন, স্টেশনারি ডিজাইন, লেটারহেড ডিজাইন, ক্যালেন্ডার ডিজাইন, বিসনেজ কার্ড ডিজাইন।
✔️ মার্কেটিং ডিজাইন, মুভি/ড্রামা পোস্টার ডিজাইন।
✔️ সোশ্যাল মিডিয়া ডিজাইন, ইনভাইটেশন কার্ড ডিজাইন।
✔️ ফেসবুক কভার ডিজাইন, ইউটিউব কভার ডিজাইন, ইউটিউব থাম্বনেইল ডিজাইন।
✔️ প্রিন্ট ডিজাইন-২ ব্রুশিয়ার ডিজাইন ফুড মেনু ডিজাইন ব্যানার ডিজাইন।
✔️ মার্কেটপ্লেস সাপোর্ট
✔️ ব্রাডিং আইডিয়াস
✔️ ক্লায়েন্ট কমিউনিকেশন টিপস এবং ট্রিকস
✔️ কোর্স কম্প্লিশন সার্টিফিকেট
আসসাল্মুয়ালাইকুম,
আমাদের এই কোর্সটি করার পর আপনি প্রফেশনাল চাকরি বা ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট প্লেসে সফলতার সাথে
গ্রাফিক ডিজাইনের যেকোনো কাজ করতে পারবেন। আমাদের কোর্স যেহেতু গ্রাফিক ডিজাইন ব্যাসিক টু
এডভান্স কোর্স, তাই এই কোর্সে এডোবি ফটোশপ এবং এডোবি ইলাস্ট্রেটর এর সকল খুঁটিনাটি কাভার করা
হবে। তার সাথে সাথে আমরা থিওরিকাল কিছু ডিজাইন শিখবো। কারণ মনে রাখবেন এডাবি ফটোশপ এবং
এডোবি ইলাস্ট্রেটর শুধুমাত্র একটা টুল আর সুন্দর একটা ডিজাইন আপনাকেই করতে হবে।
কোর্স ফি: ১৫,০০০ টাকা বিশেষ অফার: বর্তমানে ৩,০০০ টাকা ছাড় অফারে মোট ফি: ১২,০০০ টাকাএই বিশেষ অফারে ভর্তি হলে আপনাকে সম্পূর্ণ ১২,০০০ টাকা একবারে পরিশোধ করতে হবে .এই অফারটি সীমিত সময়ের জন্য প্রযোজ্য। তাই দেরি না করে আজই ভর্তি নিশ্চিত করুন।
নিয়ম অনুযায়ী ক্লাস নেওয়া হবে।
গ্রাফিক ডিজাইন ক্লাস মডিউল
✔️ ব্র্যান্ড ডিজাইন
✔️ লোগো ডিজাইন
✔️ স্টেশনারি ডিজাইন
✔️ লেটারহেড ডিজাইন
✔️ ক্যালেন্ডার ডিজাইন
✔️ বিসনেজ কার্ড ডিজাইন
✔️ ইন্টারফেইস ডিজাইন
✔️ ল্যান্ডিং পেইজ ডিজাইন
✔️ MNEMONIC ডিজাইন
✔️ ওয়েবসাইট ডিজাইন
✔️ অ্যাপস ডিজাইন
✔️ আইকন ডিজাইন
✔️ মার্কেটিং ডিজাইন
✔️ মুভি/ড্রামা পোস্টার ডিজাইন
✔️ সোশ্যাল মিডিয়া ডিজাইন
✔️ ফেসবুক কভার ডিজাইন
✔️ ইউটিউব কভার ডিজাইন
✔️ ইউটিউব থাম্বনেইল ডিজাইন
✔️ ভিজুয়াল ডিজাইন
✔️ পিকচার ম্যানিপুলেশন
✔️ ইনফোগ্রাফিক ডিজাইন
✔️ রিজিউম ডিজাইন
✔️ পিকচার ইডিটিং
✔️ প্রোডাক্ট ডিজাইন
✔️ প্রিন্ট ডিজাইন-২
✔️ ব্রুশিয়ার ডিজাইন
✔️ ফুড মেনু ডিজাইন
✔️ ব্যানার ডিজাইন
✔️ ক্যাটালগ ডিজাইন
✔️ ইনভাইটেশন কার্ড ডিজাইন
✔️ প্রিন্ট ডিজাইন
✔️ লোকাল ব্যানার ডিজাইন
✔️ অ্যালবাম কভার ডিজাইন
✔️ বুক কভার ডিজাইন
✔️ ম্যাগাজিন ডিজাইন
✔️ ইনভয়েস ডিজাইন
✔️ নিজের প্রোফাইল কিভাবে তৈরী করবেন
✔️ পোর্টপোলিও website কিভাবে তৈরী করবেন
✔️ কিভাবে মার্কেটপ্লেসের বাইরে বায়ার খুঁজবেন
✔️ কিভাবে বায়ারকে মেসেজ পাঠাবেন
✔️ যারা রিপ্লাই+সিন করেছে কিভাবে তাদের লিস্ট করবেন কিভাবে কমিউনিকেশন বিল্ডাপ করবেন
আমাদের ক্লাসের বাহিরে যা দিয়ে থাকি:
মার্কেটপ্লেসে এর বাহিরে মার্কেটপ্লেসের ভিতরে প্রজেক্ট কমপ্লিট করা চলাকালীন যা যা প্রবলেম ফেস করা হবে।
এগুলো সহ অসংখ্য প্রবলেম বা সমস্যা সমাধান করা হয়ে থাকে এক কথায় আপনাদের ফাইবারের কাজ শেখানো থেকে শুরু করে কাজ ডেলিভার পর্যন্ত কিভাবে টাকা নিয়ে আসবেন ফুল প্রসেস গুলো আমাদের এখান থেকে শেখানো হয় । আমাদের সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ইউটিউব চ্যানেলে ভিজিট করে দেখতে পারেন
আমাদের উত্তর
এই গ্রাফিক ডিজাইন কোর্সটি করলে আপনি অসংখ্য সুবিধা পাবেন। প্রথমত, আপনি শূন্য থেকে শুরু করে একজন প্রফেশনাল গ্রাফিক ডিজাইনার হয়ে উঠবেন। এই কোর্সে ব্র্যান্ড ডিজাইন, লোগো ডিজাইন, ওয়েবসাইট ডিজাইন, সোশ্যাল মিডিয়া ডিজাইন, প্রিন্ট ডিজাইন সহ সব ধরনের ডিজাইন শেখানো হয়।
আপনি শিখবেন কীভাবে একটি কোম্পানির সম্পূর্ণ ব্র্যান্ড আইডেন্টিটি তৈরি করতে হয়, কীভাবে আকর্ষণীয় সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ডিজাইন করতে হয়, কীভাবে প্রফেশনাল ওয়েবসাইট এবং অ্যাপস ডিজাইন করতে হয়। এছাড়া ফাইভার, আপওয়ার্ক এর মতো মার্কেটপ্লেসে কাজ করে আয় করার সম্পূর্ণ গাইডলাইন পাবেন।
কোর্স শেষে আপনি ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন, লোকাল কোম্পানিতে চাকরি করতে পারবেন, অথবা নিজের একটা ডিজাইন এজেন্সি খুলতে পারবেন। মোট কথা, আপনার ক্যারিয়ারের জন্য অসংখ্য দরজা খুলে যাবে।
এই কোর্সটি মূলত চার ধরনের মানুষের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী।
প্রথমত, যারা সম্পূর্ণ নতুন এবং গ্রাফিক ডিজাইন সম্পর্কে কিছুই জানেন না, তারা এই কোর্স থেকে একদম বেসিক থেকে শুরু করে অ্যাডভান্স লেভেল পর্যন্ত সব কিছু শিখতে পারবেন। আমরা একদম হাতে ধরে শেখাই।
দ্বিতীয়ত, যারা ক্রিয়েটিভ কাজ পছন্দ করেন এবং ডিজাইনিং এ ক্যারিয়ার গড়তে চান, তাদের জন্য এটি আদর্শ কোর্স। আপনি যদি আর্ট, কালার, ক্রিয়েটিভিটি নিয়ে কাজ করতে ভালোবাসেন, তাহলে এই কোর্স আপনার জন্য।
তৃতীয়ত, যারা ফ্রিল্যান্সিং করে ঘরে বসে আয় করতে চান, তাদের জন্য গ্রাফিক ডিজাইন একটি দুর্দান্ত অপশন। ফাইভার, আপওয়ার্ক, ৯৯ডিজাইনস এর মতো মার্কেটপ্লেসে গ্রাফিক ডিজাইনের চাহিদা সবসময় বেশি থাকে।
চতুর্থত, যারা নিজের বিজনেসের জন্য ডিজাইন শিখতে চান, নিজেই লোগো, ব্যানার, সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট তৈরি করতে চান, তাদের জন্যও এই কোর্স অত্যন্ত কার্যকর। এতে আপনার ডিজাইনের খরচ বাঁচবে এবং নিজের মতো করে ডিজাইন করতে পারবেন।
হ্যাঁ, অবশ্যই মার্কেটপ্লেসে কাজ পাবেন। গ্রাফিক ডিজাইন হলো সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন স্কিলগুলোর একটি। ফাইভার, আপওয়ার্ক, ফ্রিল্যান্সার ডট কম, ৯৯ডিজাইনস, ড্রিবল – এই সব মার্কেটপ্লেসে প্রতিদিন হাজার হাজার ডিজাইনের কাজ পোস্ট হয়।
আমাদের কোর্সে শুধু ডিজাইন শেখানো হয় না, মার্কেটপ্লেসে কীভাবে প্রোফাইল তৈরি করতে হয়, কীভাবে পোর্টফোলিও সাজাতে হয়, কীভাবে বায়ার খুঁজে বের করতে হয়, কীভাবে তাদের সাথে কমিউনিকেশন করতে হয়, কীভাবে অর্ডার কমপ্লিট করতে হয়, কীভাবে রিভিউ নিতে হয় – এই সবকিছু বিস্তারিতভাবে শেখানো হয়।
এছাড়া মার্কেটপ্লেসের বাইরেও আপনি লোকাল বিজনেস, কোম্পানি, দোকানদার – সবার জন্য কাজ করতে পারবেন। বাংলাদেশেও এখন প্রচুর ডিজাইনারের চাহিদা রয়েছে। তাই কাজের অভাব হবে না।
আপনি সারাজীবন Expertitpark এর সাপোর্ট পেয়ে যাবেন। এটা আমাদের কমিটমেন্ট। কোর্স শেষ হওয়ার পরও যদি আপনার কোনো সমস্যা হয়, কোনো ডিজাইন নিয়ে কনফিউশন থাকে, ক্লায়েন্টের সাথে কোনো ইশু হয়, নতুন কোনো টুল বা টেকনিক শিখতে চান – যেকোনো সময় আমাদের কাছে যোগাযোগ করতে পারবেন।
আমাদের একটা প্রাইভেট কমিউনিটি গ্রুপ আছে যেখানে সব শিক্ষার্থীরা একসাথে থাকে। সেখানে নিয়মিত টিপস, ট্রিকস, নতুন ট্রেন্ড শেয়ার করা হয়। আপনি সেখানে আপনার ডিজাইন শেয়ার করে ফিডব্যাক নিতে পারবেন।
মার্কেটপ্লেসে কাজ করার সময় যদি কোনো প্রবলেম ফেস করেন, কোনো প্রজেক্টে আটকে যান, তাহলে আমরা আপনাকে গাইড করবো। এমনকি আপনার প্রথম কয়েকটা অর্ডার কমপ্লিট করার সময় আমরা পাশে থাকবো যাতে আপনি কোনো ভুল না করেন এবং ভালো রিভিউ পান।
হ্যাঁ, কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করলে আপনি Expertitpark থেকে একটি সার্টিফিকেট পাবেন। তবে সার্টিফিকেট পেতে হলে আপনাকে কোর্সের সব ক্লাসে নিয়মিত উপস্থিত থাকতে হবে এবং সব অ্যাসাইনমেন্ট ও প্রজেক্ট সফলভাবে সম্পন্ন করতে হবে।
আমরা চাই আপনি শুধু একটা কাগজের সার্টিফিকেট নয়, বরং বাস্তব দক্ষতা নিয়ে বের হন। তাই কোর্সের শেষে আপনাকে একটি ফাইনাল প্রজেক্ট জমা দিতে হবে যেটা হবে একটি সম্পূর্ণ ব্র্যান্ড আইডেন্টিটি ডিজাইন অথবা একটি কমপ্লিট ওয়েবসাইট ডিজাইন।
এই সার্টিফিকেট আপনার সিভিতে যোগ করতে পারবেন এবং ক্লায়েন্টদের কাছে আপনার যোগ্যতার প্রমাণ হিসেবে দেখাতে পারবেন। তবে মনে রাখবেন, আসল জিনিস হলো আপনার পোর্টফোলিও এবং কাজের মান। সেটাই আপনাকে সফল করবে।
এটি একটি সম্পূর্ণ অফলাইন কোর্স। মানে আপনাকে আমাদের ট্রেনিং সেন্টারে এসে ক্লাস করতে হবে। অফলাইন কোর্সের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো আপনি সরাসরি ইন্সট্রাক্টরের সামনে বসে শিখতে পারবেন, যেকোনো সমস্যা সাথে সাথে সমাধান করতে পারবেন।
গ্রাফিক ডিজাইন একটি প্র্যাকটিক্যাল স্কিল। শুধু ভিডিও দেখে বা বই পড়ে শেখা যায় না। আপনাকে হাতে-কলমে কাজ করতে হবে এবং একজন এক্সপার্ট এর কাছ থেকে তাৎক্ষণিক ফিডব্যাক পেতে হবে। অফলাইন ক্লাসে আপনি ইন্সট্রাক্টরকে সরাসরি দেখিয়ে বলতে পারবেন “আমার এই ডিজাইনে কোথায় সমস্যা?” এবং তিনি সাথে সাথে সেটা ঠিক করে দিবেন।
এছাড়া ক্লাসরুমে অন্য স্টুডেন্টদের সাথে আইডিয়া শেয়ার করতে পারবেন, তাদের কাজ দেখে নিজেও শিখতে পারবেন। এই নেটওয়ার্কিং আপনার ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারে অনেক কাজে আসবে।
কোর্স ফি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আপনি সরাসরি আমাদের অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন অথবা আমাদের হটলাইন নম্বরে কল করতে পারেন। আমরা চেষ্টা করি ফি যাতে সবার সাধ্যের মধ্যে থাকে এবং একই সাথে হাই কোয়ালিটি ট্রেনিং নিশ্চিত করা যায়।
হ্যাঁ, আপনি অবশ্যই কিস্তিতে ফি পরিশোধ করতে পারবেন। আমরা বুঝি যে অনেকের জন্য একসাথে পুরো টাকা দেওয়া কঠিন হতে পারে। তাই আমরা ২-৩ টি কিস্তির সুবিধা দিয়ে থাকি।
ভর্তির সময় একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা অগ্রিম দিতে হবে এবং বাকি টাকা কোর্স চলাকালীন সময়ে দিতে পারবেন। এছাড়া আমরা মাঝে মাঝে স্পেশাল ডিসকাউন্ট এবং আর্লি বার্ড অফার দিয়ে থাকি। তাই নিয়মিত আমাদের ফেসবুক পেজ এবং ওয়েবসাইট চেক করতে পারেন।
না, এই কোর্সে ভর্তি হতে কোনো বিশেষ শিক্ষাগত যোগ্যতা বা পূর্ব অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই। আপনি যদি কম্পিউটার চালাতে জানেন এবং বেসিক কম্পিউটার অপারেশন বুঝেন, তাহলেই যথেষ্ট।
তবে আপনার মধ্যে ক্রিয়েটিভিটি এবং শেখার আগ্রহ থাকতে হবে। ডিজাইন একটি আর্ট এবং সাইন্সের মিশ্রণ। আপনার মধ্যে যদি কালার সেন্স, ভিজুয়াল আন্ডারস্ট্যান্ডিং থাকে তাহলে ভালো। তবে না থাকলেও সমস্যা নেই, কোর্সের মধ্যে এগুলো ডেভেলপ করা যায়।
কোনো ডিজাইন সফটওয়্যার জানতে হবে না। আমরা একদম শূন্য থেকে শেখাবো। ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর, ফিগমা – সব সফটওয়্যার কীভাবে ব্যবহার করতে হয় সেটা ধাপে ধাপে শেখানো হবে।
স্টুডেন্ট, চাকরিজীবী, গৃহিণী, ব্যবসায়ী, বেকার – যে কেউ এই কোর্সে ভর্তি হতে পারবেন। বয়সের কোনো বাধা নেই। ১৬ বছর থেকে ৫০+ বছরের যে কেউ শিখতে পারবেন।
হ্যাঁ, আমরা জব প্লেসমেন্টে সম্পূর্ণ সাহায্য করবো। আমাদের সাথে ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে অনেক কোম্পানি, ডিজিটাল এজেন্সি, এবং ব্র্যান্ডিং ফার্মের যোগাযোগ আছে যারা নিয়মিত ডিজাইনার খোঁজে।
কোর্স শেষে আমরা আপনার জন্য একটি প্রফেশনাল সিভি তৈরি করে দেবো এবং পোর্টফোলিও সাজানোর ব্যাপারে গাইড করবো। একটা ভালো পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট তৈরি করতে হয় যেখানে আপনার সব ভালো কাজ শোকেস করা থাকবে।
আমরা আপনাকে বিভিন্ন কোম্পানিতে রেফার করবো এবং ইন্টারভিউয়ের জন্য প্রস্তুত করবো। কী ধরনের প্রশ্ন হতে পারে, কীভাবে উত্তর দিতে হবে, কীভাবে নিজের কাজ প্রেজেন্ট করতে হবে – সব শেখানো হবে।
তবে মনে রাখবেন, জব পাওয়া সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে আপনার স্কিল এবং পোর্টফোলিওর উপর। আমরা দরজা খুলে দিতে পারি, কিন্তু ভিতরে ঢুকতে হবে আপনার নিজের যোগ্যতায়।
একদম পাবেন। ফ্রিল্যান্সিং শুরু করা এবং প্রথম কাজ পাওয়া অনেকের জন্য সবচেয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জ। আমরা এই চ্যালেঞ্জটা অতিক্রম করতে আপনাকে সম্পূর্ণ সাপোর্ট দেবো।
আমরা আপনাকে শেখাবো কীভাবে ফাইভারে প্রফেশনাল প্রোফাইল তৈরি করতে হয়, কীভাবে আকর্ষণীয় গিগ টাইটেল এবং ডেস্ক্রিপশন লিখতে হয়, কীভাবে গিগ ইমেজ ডিজাইন করতে হয় যা বায়ারদের নজর কাড়বে। শুধু ফাইভার নয়, আপওয়ার্ক, ফ্রিল্যান্সার ডট কম, ৯৯ডিজাইনস – সব মার্কেটপ্লেসে কীভাবে কাজ করতে হয় সেটা বিস্তারিত শেখানো হবে।
এছাড়া আমরা শেখাবো কীভাবে মার্কেটপ্লেসের বাইরে ক্লায়েন্ট খুঁজতে হয়। লিংকডইন, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, এমনকি কোল্ড ইমেইল করে কীভাবে ক্লায়েন্ট পাওয়া যায় সেটা দেখাবো। আপনার এলাকার দোকান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, স্টার্টআপ কোম্পানি – সবাইকে কীভাবে অ্যাপ্রোচ করতে হয় সেটা শেখানো হবে।
বায়ারকে কীভাবে মেসেজ পাঠাতে হয়, কীভাবে কমিউনিকেশন বিল্ডআপ করতে হয়, যারা রিপ্লাই বা সিন করেছে তাদের কীভাবে লিস্ট করে ফলোআপ করতে হয় – এই সব প্র্যাকটিক্যাল স্ট্র্যাটেজি শেখানো হবে।
প্রাইসিং কীভাবে সেট করবেন, নেগোসিয়েশন কীভাবে করবেন, রিভিশন কীভাবে হ্যান্ডেল করবেন, পেমেন্ট কীভাবে নিরাপদে নেবেন – সব কিছু ধাপে ধাপে শেখানো হবে। আপনার প্রথম কয়েকটা অর্ডার কমপ্লিট করার সময় আমরা একদম পাশে থাকবো।
বায়ারের সাথে লাইভ Communication করছেন শিক্ষক
আমরা Online ব্যাচের জন্য বিকাশ, রকেট, নগদ ও ব্যাংকে পেমেন্ট গ্রহণ করে থাকি ।



Open bKash App → Tap Make Payment → Enter Merchant Number & Amount → Confirm PIN